রবিবার, ২৮ Jun ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

সোমনাথ হোরের আঁচড়ে মূর্ত মন্বন্তর ও তেভাগা

ডিসেম্বর, সাল ১৯৪৬। তিনি তখন কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। বিখ্যাত বামপন্থী নেতা সোমনাথ লাহিড়ী ও নৃপেন চক্রবর্তী তাকে তেভাগা আন্দোলন প্রত্যক্ষ করার জন্য রংপুরে যেতে বললেন। ১৭ ডিসেম্বর রাতে নর্থ বেঙ্গল এক্সপ্রেসের তৃতীয় শ্রেণীর কম্পার্টমেন্টে চড়ে কলকাতা থেকে রংপুরে আসেন সোমনাথ হোর। এ প্রসঙ্গে ‘তেভাগার ডায়েরি’তে তিনি লেখেন, ‘১৯৪৬-এ তেভাগা আন্দোলন একটি অসাধারণ কৃষক সংগ্রামে পরিণত হয়েছিল।…এর তিন বছর আগে ১৯৪৩ সনে বাংলায় প্রলয়ংকরী মন্বন্তর ঘটে গেছে।…আমি তখন কমিউনিস্ট পার্টির আনুকূল্যে কলকাতার সরকারি আর্ট স্কুলের ছাত্র এবং “স্বাধীনতা” দৈনিকে কিছু কাজ করি। থাকি ৭৭ নং ধর্মতলা স্ট্রিটের কমিউনে, কমরেড মুজাফ্ফর আহমেদের আশ্রয়ে। সোমনাথ লাহিড়ী ও নৃপেন চক্রবর্তী অকৃপণ স্নেহ করতেন। তাদেরই আগ্রহে যাই রংপুরে তেভাগা আন্দোলন দেখতে।’

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com